বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

পূজার সাজে "জেসমিন মৌসুমি"...!.


মডেল : জেসমিন মৌসুমি
ছবি : শাকিল মাহুমুদ

আরিফিন সানি : চলছে দুর্গা প্রতিমা গড়ার কাজ। তাই যে যার মতো নিজেকে নতুন আঙ্গীকে সাজিয়ে তোলায় ব্যাস্ত।

আর অন্যদিকে কেনাকাটার  বিষয়টা তো থাকেই। সে জন্য দোকান, শপিংমলগুলোও এখন মুখরিত ক্রেতাদের আনাগোনায়। উৎসবের পোশাকে বাঙালিয়ানার ধারা বজায় রাখার চেষ্টা থাকে সব সময়ই।
অর্থাৎ, পোশাকের কাটছাঁট ও নকশায় থাকে বাঙালিয়ানার ছাপ।

এবার পূজার সাজে "তাসনোভা তারিন"...!

মডেল : তাসনোভা তারিন
ছবি : আকাশ

আরিফিন সানি : চলছে দুর্গা প্রতিমা গড়ার কাজ। তাই যে যার মতো নিজেকে নতুন আঙ্গীকে সাজিয়ে তোলায় ব্যাস্ত।


আর অন্যদিকে কেনাকাটার  বিষয়টা তো থাকেই। সে জন্য দোকান, শপিংমলগুলোও এখন মুখরিত ক্রেতাদের আনাগোনায়। উৎসবের পোশাকে বাঙালিয়ানার ধারা বজায় রাখার চেষ্টা থাকে সব সময়ই।

অর্থাৎ, পোশাকের কাটছাঁট ও নকশায় থাকে বাঙালিয়ানার ছাপ। 

শারদীয় দূর্গা পূজায় ভিন্ন সাজে ভিন্ন রুপে 'তুরবা আহমেদ'...!!

২৭/০৯/২০১৭

আরিফিন সানি : এবার পূজায় ভিন্ন সাজে রুপ নিলো আমাদের জনপ্রিয় মডেল "তুরবা আহমেদ"। 


তুরবা আহমেদ এর মধ্যে বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজের ফটোশুট ও বিভিন্ন গানের মডেলিং করে অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করে। 


এবার পূজার ফটোশুটে ভিন্ন সাজে ভিন্ন রুপে দেখা গেলো তুরবা আহমেদকে। 

ছবি : ATIQ PhotoClickhttps://mbasic.facebook.com/AtiqAnondo/?refid=17&_ft_=top_level_post_id.1464323770327722%3Atl_objid.1464323770327722%3Apage_id.236575696452738%3Athid.100020368634524%3A306061129499414%3A75%3A0%3A1506841199%3A4163589629489921435&__tn__=%2As-R

মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

শারদীয় দূর্গা পূজার ফটোশুটে ‘সনিয়া জান্নাত’ !!


সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৭

আরিফিন সানি : সম্প্রতি শারদীয় দূর্গা পূজার থিম ফটোশুটে অংশগ্রহন করেন বাংলা জনপ্রিয়  নায়িকা ‘সনিয়া জান্নাত‘। ফটোশুটটির স্টাইল ডিরেক্টশনে ছিলেন ‘কে.এম. সাকিব‘। ছবি তুলেছেন মাহুমুদ আহামেদ ।


হিন্দ্র সম্প্রদায়ের বারো মাসে ১৩ পর্বণ কথাটি হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য প্রচলিত থাকলেও শারদীয়া বা দূর্গা পূজাই বেশি আনন্দ উৎসবের মাধ্যমে পালন করা হয়।
দেবী দূর্গা হলেন শক্তির রূপ, তিনি পরব্রহ্ম। অনান্য দেব দেবী মানুষের মঙ্গলার্থে তাঁর বিভিন্ন রূপের প্রকাশ মাত্র। হিন্দু ধর্মশাস্ত্র অনুসারে দেবী দূর্গা ‘দূর্গতিনাশিনী’ বা সকল দুঃখ দুর্দশার বিনাশকারিনী। পুরাকালে দেবতারা মহিষাসুরের অত্যাচারে স্বর্গ থেকে বিতাড়িত হয়েছিল। ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর’র শরীর থেকে আগুনের মত তেজরশ্মি একত্রিত হয়ে বিশাল এক আলোক পূঞ্জে পরিণত হয়। ঐ আলোক পুঞ্জ থেকে আর্বিভূত হলেন দেবী দুর্গা।


দিব্য অস্ত্রে সজ্জিত আদ্যাশক্তি মহামায়া অসুর কুলকে একে একে বিনাশ করে স্বর্গ তথা বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে শান্তি স্থাপন করেন তিনি।
দেবী দূর্গা ত্রি-নয়না বলে তাঁকে ‘ত্রৈম্বক্যে’ বলা হয়। তাঁর বাম চোখ হলো বাসনা (চন্দ্র), ডান চোখ কর্ম (সূর্য) ও কেন্দ্রীয় চোখ হলো জ্ঞান (অগ্নি)।

দূর্গার দশ বাহুতে যে দশটি অস্ত্র রয়েছে, সেই অস্ত্রসমূহও বিভিন্ন প্রতীকের ইঙ্গিতবাহী।
বিনাকা পানিকি শঙ্কর দিলেন- ত্রি শুল, বিষ্ণু দিলেন- সুদর্শন চক্র, ব্রক্ষ্ম দিলেন – কমান্ডুলু অক্ষ মালা, পবন দিলেন-ধনু, বরুন দিলেন-পাশ, ইন্দ্র দিলেন- বজ্র, জম দিলেন-দন্ড, কাল দিলেন- সুদিক্ন তরোবারী, কুবের তাহাকে-রত্ন অলঙ্কারে সাজিয়ে দিলে, বিশ্বকর্মা দিলেন- অভেদ বর্ম, ধনুর্বান দিলে- সূর্য ও হিমালয় দিলেন- সিংহ,
হিন্দু শাস্ত্র মতে, দৈত্য, বিঘ্ন, রোগ, পাপ ও ভয়-শত্রুর হাত থেকে যিনি রক্ষা করেন, তিনিই হলেন দেবী দুর্গা। কখন, কোথায় দূর্গা পূজা শুরু হয়েছিল তা জানা যায়নি। ভারতের দ্রাবিড় সভ্যতা জাতির মধ্যে মাতৃ দেবীর পূজার প্রচলন ছিল। সিন্ধু সভ্যতায় দেবীমাতা, ত্রিমস্তক দেবতা শিবের পূজার প্রচলন ছিল। দূর্গা শিবের অর্ধাঙ্গিনী সে হিসাবে অথবা দেবী মাতা হিসাবে পূজা হতে পারে। তবে রামায়নে আছে, শ্রী রাম চন্দ্র কালিদহ সাগর (বগুড়ার) থেকে ১০১ টি নীল পদ্ম সংগ্রহ করে সাগর কূলে বসে বসন্তকালে সীতা উদ্ধারের জন্য সর্বপ্রথম শক্তি তথা দুর্গা উৎসবের (বাসন্তি পূজা বা অকাল বোধন) আয়োজন করেছিলেন। মারকেন্দীয়া পুরান মতে, চেদী রাজবংশের রাজা সুরাথা খ্রীষ্ট্রের জন্মের ৩০০ বছর আগে কলিঙ্গে (বর্তমানে উরিষ্যা) নামে দূর্গা পুজা প্রচলন করেছিল।
ইতিহাস থেকে যতটুকু জানা যায় মধ্য যুগে বাংলা সাহিত্যে দূর্গা পূজার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। ১১’শ শতকে অভিনির্ণয়- দূর্গা ভক্তিতরঙ্গিনীতে দূর্গা বন্দনা পাওয়া যায়। বঙ্গে ১৪শ শতকে দুর্গা পূজার প্রচলন ছিল কিনা ভালভাবে জানা যায় না। ১৫১০ সালে কুচ বংশের রাজা বিশ্ব সিংহ কুচবিহারে দূর্গা পূজার আয়োজন করেছিলেন।

১৬১০ সালে কলকাতার বারিশার রায় চৌধুরী পরিবার প্রথম দূর্গা পূজার আয়োজন করেছিল বলে ধারণা করা হয়। ১৭৯০ সালের দিকে এই পূজার আমেজে আকৃষ্ট হয়ে পশ্চিম বঙ্গের হুগলি জেলার গুপ্তি পাড়াতে ১২ জন বন্ধু মিলে টাকা (চাঁদা) তুলে প্রথম সার্বজনীন ভাবে আয়োজন করে বড় আকারে দূর্গা উৎসব পালন করেন। যা বারোইয়ার বা বারবন্ধুর পূজা নামে ব্যাপক পরিচিতি পায়।
দূর্গা পূজার প্রাথমিক ধাপ ১৮ম শতকে নানা বাদ্য যন্ত্র প্রয়োগে ব্যক্তিগত, বিশেষ করে জমিদার, বড় ব্যবসাযী, রাজ কর্মচারিদের মধ্যে প্রচলন ছিল। পাটনাতে ১৮০৯ সালের দূর্গা পূজার ওয়াটার কালার ছবির ডকুমেন্ট পাওয়া গেছে। উরিষ্যার রামেশ্বরপুরে একই স্থানে ৪০০ শত বছর ধরে সম্রাট আকবরের আমল থেকে দূর্গা পূজা হয়ে আসছে। ১৯১০ সালে ভবানীপুরের একই জেলায় প্রথম বারোয়ারী পুজার আয়োজন করে। ২০ শতাব্দির প্রথমার্ধে এই পূজা ঐতিহ্যবাহী বারোয়ারী বা কমিউনিটি পূজা হিসাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে। আর স্বাধীনতার পর এই পূজা পৃথিবীর অন্যতম প্রধান উৎসবের মর্যাদা পায়। সরকারি বা জাতীয়ভাবে এই উৎসবকে দূর্গা পূজা বা দূর্গা উৎসব হিসাবে অভিহিত করা হয়। দক্ষিণ এশিয়ায় এটাকে শরৎ কালের বার্ষিক মহা উৎসব হিসাবে ধরা হয় বলে একে শারদীয় উৎসবও বলা হয়। দূর্গা পূজার ৭ দিন আগেই মহালয়ার মধ্যমে দেবী দূর্গার আগমন জানীয়ে দেয়া হয়, এই উৎসব ৬ দিন স্থায়ীত্ব হয়ে থাকে যেমন: পঞ্চমী, ষষ্ঠি, মহাসপ্তমী, মহাঅষ্টমী, মহানবমী ও বিজয় দশমী।

সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

শারদীয় দূর্গা পূজার সাজে শহাসিনি অধরা


September 26. 2017
 

বিনোদন প্রতিবেদক : সম্প্রতি শারদীয় দূর্গা পূজার থিম ফটোশুটে অংশগ্রহন করেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় মডেল ‘শহাসিনি অধরা'।

শারদীয় দূর্গা পূজার বিশেষ এই থিম ফটোশুটে আয়োজন করেন Gazi TV...